প্রকাশিত: Sun, Jun 11, 2023 9:47 PM
আপডেট: Mon, Jan 26, 2026 8:57 AM

বরিশাল ও খুলনার ভোট গাজীপুরের চেয়েও সুষ্ঠু হবে: আহসান হাবিব

এম এম লিংকন: নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান বলেন, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আগের চেয়ে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। রোববার আমাদের নতুন সময়কে এ কথা বলেন তিনি। 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের চলমান সিটি করপোরেশনের নির্বাচন গুলোকে এসিড টেস্ট হিসেবে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই সব নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে কমিশন। ইতোমধ্যে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে এসিড টেস্টে উত্তীর্ণও হয়েছেন কমিশন বলে মনে করছে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। এখন বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ করে কমিশনের প্রতি ভোটারের আস্থা ফেরাতে চাইছে কমিশন। সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বরিশাল ও খুলনা সিটির নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন আহসান হাবিব খান। 

সুষ্ঠু নির্বাচনের পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার বলেন, খুলনা ও বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রতিটি পদক্ষেপেই আমরা সুতীক্ষ্ন নজর রেখে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। ভোটের দিনও আমরা সরাসরি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নির্বাচন ভবন থেকে ভোট মনিটরিং করবো। এখনও পর্যন্ত বরিশাল ও খুলনা সিটিতে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশা করছি ভোট গ্রহণ ও গণনাতেও কোন অনিয়ম ঘটবে না। আর কোন কেন্দ্রে অনিয়ম দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। 

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোট গ্রহণ কর্মকর্তারা নির্দেশনা পালনের শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়েছেন। নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করবে যা, আমাদের নির্দেশনা আছে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট- আমরা সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করেছি। নির্বাচন প্রচারণায় অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলা করলে কোনো ধরনের ছাড় দেব না। বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধের জন্য চেকপোস্ট করা হয়েছে।

খুলনা সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেক (নৌকা), জাপার শফিকুল ইসলাম মধু (লাঙল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল আউয়াল (হাতপাখা), স্বতন্ত্রপ্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক (দেয়াল ঘড়ি) ও জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন (গোলাপ ফুল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। 

আর বরিশাল সিটির মোট ভোটার হচ্ছে দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৯৮ জন। নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান বাচ্চু, টেবিল ঘড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন, হাতি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান ও হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আলী হোসেন হাওলাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ভোটের মাঠে রয়েছেন ১৬০ জন। সাধারণ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ১১৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৪২ জন। সম্পাদনা: তারিক আল বান্না